সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

এ যুগে অভিযোজন ঘটিত সামর্থবান যারা তারাই সমাজ পরিবর্তনে রেডিক্যালিজম বা অধিকতর বিপ্লবী হয়ে যায়।

 অভিযোজিত, অভিযোজ্য এবং অভিযোজন ঘটিত এই তিনটি সুবিশাল আলোচ্যসুচি র কেন্দ্রবিন্দু হল আমাদের সমাজ। সমাজ সচেতন হলে তখন আমাদের এই অবস্থান গুলিকে কতটা সাবজেক্টিভ এবং কতটা অবজেক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হবে সেটাই হচ্ছে এই আলোচনার প্রধান বিষয়। মানুষ কি আসলেই অভিযোজিত হচ্ছে নাকি শুধুই শাসিত আর শোষিত হয়। তা না হলে শাসক গোষ্ঠি কি ধরনের অভিযোজনকে মেনে নিচ্ছে অথবা সমন্বিত করে নিচ্ছে? এবং অতপরঃ অভিযোজন ঘটিত কি কি বিষয় মানব জাতীর টিকে থাকার সঙ্গে ওতপ্রোত সম্পর্ক আছে বলে আইন কাঠামোর অন্তর্ভূক্ত হতে পারে এসব বিষয় সম্বন্ধে পরিস্কার ধারনা থাকা দরকার।

কেন “ডেমোনস্ট্রেশন অফ ইগো ইজ ব্যাড” এন্ড ডেস্ট্রাকটিভ।

  কেন “ডেমোনস্ট্রেশন অফ ইগো ইজ ব্যাড” এন্ড ডেস্ট্রাকটিভ। জনগণ দৌড়ায়। তারা দৌড়ায় পিছে ফেলে আসার সময় কে ধরতে! তারা দৌড়ায় ভবিষ্যৎকে আরও দ্রুত কাছে পেতে! এভাবে তারা দৌড়ায়।আর সকলে মিলেই দৌড়ায়। আধুনিক বিশ্বে গণতন্ত্র আছে এমন যেকোনো রাষ্ট্রের মধ্যেই জনতা বা সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র প্রচুর ব্যস্ততায় ভরা। যেকোনো দেশেরই জনগণের জীবনের এই চালচ্চিত্র আলাদা আলাদা রকমের হলেও এটা পরিষ্কার বোঝা যায় যে আসলে সাজানো গোছানো জীবনের আড়ালে চাপিয়ে দেয়া অনেক বৈষম্য। এই চালচিত্র এখন কোথাও কোথাও আবার কোন অসম প্রকৃতিতে ভিন্ন রকমের স্থবিরতায় আর দেখা যাবে না বরং সর্বত্রই সবাই যেন একই রকমের ব্যাতিব্যস্ত হয়েছে। ভ্রান্ত, উদ্ভ্রান্ত, বিভ্রান্ত বা দিকভ্রান্ত সে যে কারণেই হোক না কেন।মানুষ দৌড়াবেই! কিংবা কোন কিছু না হলেও --তখনও তো মানুষ দৌড়াবে!!! নিজের ক্ষুদ্র শরীরটা নিয়ে অপসৃয়মান হয় যায়,অথবা চটপটে ভাবে কায়া থেকে ছায়া হয়ে পড়ে,কিন্তু তবু সে দৌড়াবেই। এ যেন কোন সুযোগের সদ্ব্যবহার। সময়কে অনুমান করতে পারা।এবং বৈষম্য থেকে উঠে দাড়ানো। তার চনমনে শরীর নিয়ে থাকে আড়ে আড়ে, সে ও তো দৌড়াবে। কিংবা কে...

নরক বিশ্বাস করার পরেই দেখা যাবে যে অনেকের মনের মধ্যে ভালো না করার সামর্থ্য টিও গজিয়ে যায় এবং তারা এভাবেই নরকের দিকে ধাবিত হয়।

  নরক বিশ্বাস করার পরেই দেখা যাবে যে অনেকের মনের মধ্যে ভালো না করার সামর্থ্য টিও গজিয়ে যায় এবং তারা এভাবেই নরকের দিকে ধাবিত হয়। এমন অমানুষে আজকাল পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছেয়ে গেছে। এদের প্রধান পরিচয় হলো এরা নরকে বিশ্বাস করে।  এবং স্বর্গেও বিশ্বাস করে।  এরা এতই সাধু পুরুষ যে কোথাও কোন ধরনের বিষোদগার এরা করে না, করতে হয় না তাদের। কিন্তু চারিদিকে দেখা যাবে যে বিষোদগার দিয়ে সকল মাধ্যমকে ভরে রেখেছে এরাই। এরা তো অবশ্যই অবশ্যই নরকে যাবে। মূলত এদের বিশ্বাসের মধ্যে ভ্রান্তি রয়েছে! সেই ভ্রান্তিবিলাস নিয়ে তারা জীবন যাপন করেছে এখনো! কিন্তু আজ তাদের সেই ভ্রান্তি কে ভেঙে দিবে? তাদের শান্তির ঘুম কে ভাঙিয়ে দিল?  কিন্তু যারা নরকের কথা শুনেছে কিন্তু ভালো করে বুঝে নাই এতদিন কোন কিছুই। কোথাও এবং কোনদিন, এমন মানুষও হয়তো পৃথিবীতে থাকে। হয়তো তারা সাদা মনের মানুষ নয় কিন্তু তবু অন্তর-সাদা মানুষ। স্বাদ থাকলেও যাদের কোন সাধ্য নাই।ছিল হয়তো। কিন্তু সেটা ভিন্ন কাহিনী।  এদের ভিতরে অনেকেরই আবার ধর্মীয় মূল্যবোধের চূড়ান্ত অভাব। তাদের অনেকের ভিতরেই আবার মনুষত্ববোধ অতি প্রবল থাকে। মন...

আবিষ্কার করা এবং বানানো এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আর কোনটি তৈরি করা বা বানানো হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সমাধান কোথায়?

  আবিষ্কার করা এবং বানানো এই দুইয়ের মধ্যে মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আর কোনটি তৈরি করা বা বানানো হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সমাধান কোথায়?  আধুনিক যুগে আমরা বস্তুবাদী চিন্তাভাবনায় এতটা নিমগ্ন হতাম না যদি আমরা এটা বুঝতে পারতাম যে, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের (ব্যবহৃত অথবা) কোন কোন অন্য বিষয়গুলি আবিষ্কার করা হয়েছে বা invented ছিল, আর কোন বিষয়গুলি (…) মানুষেরা বানিয়ে নিয়েছে। প্রথমত বলা চলে যে মানুষ এখন যে রকম ভাবে ভোগবাদী চিন্তায় এত মগ্ন আছে এই ভোগের মধ্যে তার অধিকার কিভাবে গড়ে উঠলো বা কতটুকু আছে সেটা, বা অন্য যেকোন প্রয়োজনের চিন্তাতে তার অবদান কি আছে যদি সেই প্রসঙ্গে,তাহলে সেটা যাই হোক না কেন,বললে পরে এটা তখন বোঝা আবশ্যিক যে তার নিজস্ব কিছু অবদান সেখানে আদৌ আছে কিংবা নাই।  অর্থাৎ মানুষ যে কোন কিছুই সভ্য এই জীবনে ভোগ করছে সে তো নিজেই সেটা আবিষ্কার করেনি! তাই অন্ততপক্ষে তার ভিতরে একটা রানার্সআপ মেন্টালিটি– বয়ক্রমে যেটা তার চোখে ধরা পড়া উচিৎ– তো থাকবে! কারণ এটা হচ্ছে নতুন করে আবিষ্কার করার একটি মানসিকতা– এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সভ্য মানুষের মধ্যে এখন না...