অভিযোজিত, অভিযোজ্য এবং অভিযোজন ঘটিত এই তিনটি সুবিশাল আলোচ্যসুচি র কেন্দ্রবিন্দু হল আমাদের সমাজ। সমাজ সচেতন হলে তখন আমাদের এই অবস্থান গুলিকে কতটা সাবজেক্টিভ এবং কতটা অবজেক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হবে সেটাই হচ্ছে এই আলোচনার প্রধান বিষয়। মানুষ কি আসলেই অভিযোজিত হচ্ছে নাকি শুধুই শাসিত আর শোষিত হয়। তা না হলে শাসক গোষ্ঠি কি ধরনের অভিযোজনকে মেনে নিচ্ছে অথবা সমন্বিত করে নিচ্ছে? এবং অতপরঃ অভিযোজন ঘটিত কি কি বিষয় মানব জাতীর টিকে থাকার সঙ্গে ওতপ্রোত সম্পর্ক আছে বলে আইন কাঠামোর অন্তর্ভূক্ত হতে পারে এসব বিষয় সম্বন্ধে পরিস্কার ধারনা থাকা দরকার।
সাইকোলজি থাকসেন। এবং এইসব ইতিহাস সে তো এতবড় না ও হতে পারতো। অতঃপর আমাদের এই বাস্তবতা। চিরকালই মানবসমাজ কেবল পথই তৈরী করে না যাতায়াতকেও উন্নততর করে। এখন কোনটাকে দাম দিতে হবে আর কোনটাই বা ছেলেমানুষের মতই অবুঝদের বিষয়বস্তু হয়ে যায়। কিংবা হয়তো অসতর্কতায় তারপরই হয়ে গেল এক বা একাধিক কদর্য ইতিহাসের অংশবিশেষ। এসব কে ই বা জানে। আমাদের অচল সমাজকে সচল রাখতে কত কি ই না করি আমরা। সবার চেয়ে বড় যে কর্মযজ্ঞটি আছে তার নাম হল পরিকল্পনা প্রনয়ন এবং শুভযোগ থাকলে পরে তখন তার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গ। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে সকল মানব সমাজের জন্যই কি সচলতা দরকারী। অথবা মনুষ্যজীবনের নানাধরনের অচলায়তনগুলির অনুমান সাপেক্ষে উন্নয়ন পরিকল্পনার আদৌ প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা। অথবা একটি সুন্দর ভবিষৎতের প্রত্যাশাকে মানুষের দ্বারে পৌঁছাতে হলে তাকে কি উপায়ে একটি সুস্থ সমাজিক জীবনের আলোকে এবং কিভাবে অথবা কেমন করে প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। কিংবা কেমনতর সে অনুপস্থিতি যার দরুন এই মানুষের ভবিষৎকে কঠোর বাস্তবে ঠেলে দিয়ে পরে পৃথিবীর জীবন যাপনকে কিভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
মন্তব্যসমূহ