সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নরক বিশ্বাস করার পরেই দেখা যাবে যে অনেকের মনের মধ্যে ভালো না করার সামর্থ্য টিও গজিয়ে যায় এবং তারা এভাবেই নরকের দিকে ধাবিত হয়।

 নরক বিশ্বাস করার পরেই দেখা যাবে যে অনেকের মনের মধ্যে ভালো না করার সামর্থ্য টিও গজিয়ে যায় এবং তারা এভাবেই নরকের দিকে ধাবিত হয়। এমন অমানুষে আজকাল পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছেয়ে গেছে। এদের প্রধান পরিচয় হলো এরা নরকে বিশ্বাস করে। 


এবং স্বর্গেও বিশ্বাস করে। 


এরা এতই সাধু পুরুষ যে কোথাও কোন ধরনের বিষোদগার এরা করে না, করতে হয় না তাদের। কিন্তু চারিদিকে দেখা যাবে যে বিষোদগার দিয়ে সকল মাধ্যমকে ভরে রেখেছে এরাই। এরা তো অবশ্যই অবশ্যই নরকে যাবে। মূলত এদের বিশ্বাসের মধ্যে ভ্রান্তি রয়েছে! সেই ভ্রান্তিবিলাস নিয়ে তারা জীবন যাপন করেছে এখনো! কিন্তু আজ তাদের সেই ভ্রান্তি কে ভেঙে দিবে? তাদের শান্তির ঘুম কে ভাঙিয়ে দিল? 


কিন্তু যারা নরকের কথা শুনেছে কিন্তু ভালো করে বুঝে নাই এতদিন কোন কিছুই। কোথাও এবং কোনদিন, এমন মানুষও হয়তো পৃথিবীতে থাকে। হয়তো তারা সাদা মনের মানুষ নয় কিন্তু তবু অন্তর-সাদা মানুষ। স্বাদ থাকলেও যাদের কোন সাধ্য নাই।ছিল হয়তো। কিন্তু সেটা ভিন্ন কাহিনী। 

এদের ভিতরে অনেকেরই আবার ধর্মীয় মূল্যবোধের চূড়ান্ত অভাব। তাদের অনেকের ভিতরেই আবার মনুষত্ববোধ অতি প্রবল থাকে। মনুষ্যবোধের এই আরাধ্য প্রবণতার কারণে একটি ভয়াবহ টানা পোড়েন সৃষ্টি হয়ে গেছে পৃথিবীতে মানব আর দানবের মধ্যে। বহুদিন হলো এজন্য শয়তান এবং দানবগুলি অতঃপর কাহিনী অনুসরণ করে করে সেইসব শুদ্ধ মানুষ, তাদের দিকেই ধাবিত হয়। কি জন্য শয়তান গুলি তাদের দিকে ধাবিত হয়? কোন সরলতার মীমাংসায় বসার জন্য নিশ্চয়ই নয়। কারণ তারা তো নরকের কাহিনী শুনেও নি এখনও। তাদেরকে নরকের কাহিনী নতুন করে শোনানোর জন্যই শয়তান এবং দানবদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত... 


এবং প্রতিদিন এটাই চলে আসছে যে, জ্ঞানী লোকদের সাথে এরা তর্কে লিপ্ত হয়। এবং খারাপ লোকেদের সাথে সংযুক্ত হয়ে পড়ে প্রতি মুহূর্তে। এবং মূর্খতায় চারিদিক ছেয়ে যায় এভাবে।কিন্তু কেউ কিছুই বলছে না কেন? কি আশ্চর্য; এরা কিন্তু তবু চোখে কিছু দেখেনা। প্রবল পরাক্রান্ত এক মূর্খামির শক্তি এদেরকে পিছে টেনে ধরে রাখে। 

এই শক্তির নাম হচ্ছে, "আছে লোকে কিছু বলে"। কেননা চোখে দেখতে গেলেই তো বিপদ। তার চেয়ে "আছে লোকে কিছু বলে"র শক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলাই তো উত্তম! জ্ঞান পাপী এই লোকগুলি তাইতো কোন একটি সহজ পন্থা খুঁজে বাহির করার জন্য সকল সময় তৎপরতা দেখিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে চেষ্টা তো চোখে দেখার কোন বিষয় ছিল না। চোখে দেখলে কি কেউ কখনো বড় হয়ে যেতে পারে? তাই তাদের সে চেষ্টা হয় একটু অন্যরকম। কারণ এরা হলো কিন্তু জ্ঞান পাপী। যাহা জেনেছিল সেটাই তো তাদের ব্যবসা।


যখনই এরা কথা বলে তখন তো এদের দীর্ঘদিনের কাহিনীগুলি শুধু উঠে আসবে। এই কাহিনীগুলি সব তাদেরই অন্তরের ক্লেদাক্ততা। কিন্তু সেটা ইতিহাসে কিভাবে কেউ প্রমাণ করবে? যে প্রশ্নটিই হোক উঠবে সেটা আরো মারাত্মক, তা কিভাবে হয়?এখন যেভাবে এরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেখার জন্য একটি বাস্তব রূপরেখার উপরে আশ্রয় নেয় সেভাবেই তাদের মানসিক নষ্টামিগুলো সমস্ত প্রমাণ সহ সুপ্ত অবস্থায় রূপরেখার ভিতরেই লুকিয়ে থাকে। কারণ তারা এইটুকু বুদ্ধি রাখে যে এইসব ক্লেদাক্ত আচরণ একবার লেখা হয়ে গেলে চিরদিনই সেখানে থাকে। বুঝা যায় যে, এখানে এসব যা কিছুই হচ্ছে সেগুলো অনেক বড় বড় কথামালা। এভাবেই সবকিছু সাজানো হয়েছিল; ভাষা, শিল্প, সংস্কৃতি সবকিছু। কিন্তু এটাও সত্য যে এদের অবস্থানও হয়ে গেছে আসলে অনেক বড়। কল্পলোকের চেয়েও এটা অনেক বড়, কোন ছবির মত করে সাজানো গোছানো আপন সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নের চেয়েও অনেক বড় কিছু।  

আসলে এটাই হচ্ছে এই পৃথিবীতে বড় কোনো কিছুর একমাত্র উপস্থিতি। যাদের সামনে আর সকল কিছুই অনেক ক্ষুদ্র। এই বরত্ব কিংবা পারিপার্শ্বিক ক্ষুদ্রতা যা কিছুই হোক না কেন এটাই হল সবারই আসল সমস্যা। এটা তাদের ইগো অথচ এই ইগো তারা এখন অন্যের নামে ব্যবহার করে, অপবাদ হিসেবে।


কিন্তু কিভাবে এই বরাদ্দকৃত বড়ত্ব তাদের জাহির করা হবে? হয়তো এমন যে, তাদের এই বড়ত্ব জাহির হয় এদের মান অথবা মর্যাদার উপরে, যে মর্যাদা তারা অন্যকে শিক্ষা দিতে প্রায়শই উচ্চারিত করে। অথবা এই বরত্ব তাদের ভূমি অথবা এদের সম্পদকে কেন্দ্র করে, তেমনটা না হলে পরে, যেটুকু না হলে তাদের জীবনই আর চলমান থাকে না। মান মর্যাদা আর অর্থ সম্পদ; এ সকল কিছুই হচ্ছে বর্তমান যুগে তাদের বড়ত্বের মাপকাঠি। কিন্তু সেটা একবার হারালে পরে আবার খুঁজে পাবার চাবিকাঠি কোথায়। আর এখানেই হচ্ছে সকলপ্রকার ভ্রান্তির সম্ভাবনা। 


একটা জিনিস এরা কখনোই জানবে না। সেটা হল এই পৃথিবীর বয়সের ভারে  নুজ্য ওইসব অতীত ইতিহাসকে টেনে আনলে পরে, তখন তার তাবৎ বীভৎসতার চিত্রের সাথে তুলনা করলেও দেখতে পাওয়া যাবে যে,এর চেয়েও আরো অনেক বড় বীভৎসতা আছে, যেটা এখন বাস করছে মানুষেরই অন্তরে। ওরা এটা কেন জানি না জেনেও জানছেনা। এটা ওদের জন্য কি তাহলে এক নরকই ছিল? কিন্তু কোন বাস্তব রূপরেখা প্রণয়ন হলেও দেখতে পাচ্ছি, তাদেরকে আজও এই নরক থেকে মুক্ত করেনি; কিন্তু কেন? এর মানে হলো রূপরেখাটি ঠিকঠাক রেখে দিয়ে-- তার কাঠামোটি ঠিক অবিক্রীত রেখে দিয়ে তারা নিজেদের ভুবনটিকে নিজেরাই তো বানিয়ে নিয়েছে তাদের নিজেদের মতো করে। এরা নরকের কাহিনী কোনদিন তাইতো শুনতে পায়নি। তাইতো এই বানোয়াট ভুবনে কেউ কেউ হারিয়ে গেলেও অনেকেই আবার আটকে পড়ে থাকে। যারা আটকে থাকে তারা আর সহজে মুক্তি খুঁজে পায় না। 


যে কোনো সঠিক তথ্য লুকিয়ে রেখে দিয়ে কিংবা প্রকাশ্যে সত্য কথাগুলিকে অতঃপর বিকৃত করে ফেলা, এটাই হচ্ছে এই বানোয়াট ভুবনের প্রধান উপজীব্য। এভাবে এরা নিজেদের সন্তানদেরকেও অনেক অনেক ভুল শিক্ষা দিয়েছে। এই ভুল শিক্ষায় অত্যন্ত মারাত্মক ফলাফল হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু তথ্য লুকিয়ে ফেলে দিলে তখন ফলাফল না জানা সাপেক্ষে কেউই তার বিপক্ষে আজও তাই কিছুই বলার সাহস পাবে না। এভাবেই এখন দিন রজনী কেটে যাচ্ছে। কারণ শিক্ষার জন্য যেসব উপকরণ তারা ব্যবহার করছে এই ধরনের অনুকরণীয় ও প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তির সাথে কম্প্রোমাইজ করে চলা আসলে পদার্থ বিজ্ঞানের সত্যকেই বিকৃত করার শামিল। আমরা কেবল এতটুকুই জানি। কিন্তু এটাই তারা বুঝেও বোঝেনা। তাদের শিশুরাও এই সত্যের বিকৃতি কোনদিনও আর জানতে পারবে না। প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তির কাহিনী আর আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত ব্যক্তির কাহিনীর মধ্যেকার পার্থক্য শিশুরা কোনদিনই আর বুঝবে না। এজন্য বলতেই হবে যে তারা নরককে ডেকে নিয়ে আনে। আমরা এখনো মহাবিশ্বে বসবাস করা শুরুই করিনি তাহলে জীবনের এই দুর্বিষহতা তাহলে কাদের অবদান? 


ডেকে ডেকে নরককে কাছে টেনে আনা,সমাজের এরকম মানসিকতা অত্যন্ত ঘৃণিত। অথচ আমরা সবাই তবু এই মানসিকতার উপরেই বসে থাকি। খুব ছোট কোন কিছুকে বড় করে ফেলছি। যেমন করে তিলকে তাল করা হয়। অথচ স্বশিক্ষার অভাবে আর কুশিক্ষার প্রভাবে যেটা আসলেই তাল বা হয়তো অনেক বড় জিনিস, মানুষের মন তার প্রত্যাশায় খুবই অগম্য, সেটা কারোই চোখে পড়ে না, এতই কি আহাম্মক এই জীবন। এ সমস্ত কিছু ভেবে নিয়ে ঐতিহাসিক কোন রূপরেখা প্রণয়ন করার মত কোন সামর্থ্য কারোই তো থাকে না। 


এই সমস্ত কিছুই অতীত স্মৃতি হয়ে রয়েছে তাদের মনে। অথচ তারা সেটা বোঝেনা। এরা এখন নরকের যাত্রী। অন্তত কোন সময়ে যদি এরা কাউকে নরকের কথা  বলতে পারে তাহলে যারা নরক কে একদমই চিনেনি, কিন্তু নরকের নাম শুনেছে শুধু তাদেরকেই তো বলবে। বহুদূর দেশে বসবাস করে এমন কেউ হয়তো তাদের এই নারকীয় কাহিনী একদিন না একদিন শুনবে। অথবা বুঝে নেবে গল্পের কাহিনীর আড়ালে। তাদের মনের উদ্ভ্রান্ত এসব স্মৃতি তাদেরকে দেশে এবং বিদেশে উভয়ে জায়গাতেই তাড়িয়ে বেড়ায় এখন। 


দেশে তারা ভয়ঙ্কর মূর্খ আর বিদেশে গিয়ে তারা হয় সাধু পুরুষ। একেক জন যেন কলিযুগের এক একটা অবতার। কি আশ্চর্য এরা এদের পরিচয় হারিয়ে ফেলেছে আর নিজেরাই যেন কলি যুগের অবতার সেজে গেছে। যাদের সামর্থ্য থাকে তাদের সাথে সমালোচনার বাহাসে বসে যায় এরা প্রতিদিন। কিন্তু প্রতিদানে কিছু দেওয়ার মত তো তাদের সামর্থ্য থাকে না। যে নরককে তারা এতদিন ভয় পেয়েছিল সেই নরককে মনে হয় যেন তারা নিজ নিজ চোখেই প্রত্যক্ষন করছে এরকম বীভৎস্য কেন তাদের জন্ম। মাতৃভূমির জন্য নতুন কিছু করার সাংগঠনিক শক্তি তারা হারিয়ে ফেলেছে। কিভাবে দেশকে আরো উন্নত করবে এই উপায় নিয়ে তর্ক করে আর বিদেশের পদলেহন করে চলে অবচেতনে। এই দ্বৈরথের প্রকৃতি আসলে কিরূপ। নরকের সীমানা দূরে ঠেলে দেবার জন্যই এরা সচেষ্ট। এরা এদের নিজেদের শারীরিক সীমানাকে এজন্য সরিয়ে নিচ্ছে দেশে বাইরে বিদেশে।


এটা হল আমাদেরই বর্তমান যুগে সমাজের মধ্যেকার বেড়ে উঠা ব্যাক্তি-চাহিদার বিকৃত অবস্থান। নিজস্ব সামর্থের এতই অভাব যে জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন পর্যন্ত দৌড়াতে হবে মানুষের এত কিছু সত্য অবলম্বন করা সত্ত্বেও তারপরেও এর নামেই অবলীলায় চালিয়ে দেয় নিজ ধর্ম। 


এভাবেই যুগটা চলছে এখন।

মন্তব্যসমূহ

Most Viewd

সাইকোলজি থাকসেন। এবং এইসব ইতিহাস সে ও তো এতবড় না ও হতে পারতো। অতঃপর আমাদের এই বাস্তবতা।

  সাইকোলজি থাকসেন। এবং এইসব ইতিহাস সে তো এতবড় না ও হতে পারতো। অতঃপর আমাদের এই বাস্তবতা। চিরকালই মানবসমাজ কেবল পথই তৈরী করে না যাতায়াতকেও উন্নততর করে। এখন কোনটাকে দাম দিতে হবে আর কোনটাই বা ছেলেমানুষের মতই অবুঝদের বিষয়বস্তু হয়ে যায়। কিংবা হয়তো অসতর্কতায় তারপরই হয়ে গেল এক বা একাধিক কদর্য ইতিহাসের অংশবিশেষ। এসব কে ই বা জানে। আমাদের অচল সমাজকে সচল রাখতে কত কি ই না করি আমরা। সবার চেয়ে বড় যে কর্মযজ্ঞটি আছে তার নাম হল পরিকল্পনা প্রনয়ন এবং শুভযোগ থাকলে পরে তখন তার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গ। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে সকল মানব সমাজের জন্যই কি সচলতা দরকারী। অথবা মনুষ্যজীবনের নানাধরনের অচলায়তনগুলির অনুমান সাপেক্ষে উন্নয়ন পরিকল্পনার আদৌ প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা। অথবা একটি সুন্দর ভবিষৎতের প্রত্যাশাকে মানুষের দ্বারে পৌঁছাতে হলে তাকে কি উপায়ে একটি সুস্থ সমাজিক জীবনের আলোকে এবং কিভাবে অথবা কেমন করে প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। কিংবা কেমনতর সে অনুপস্থিতি যার দরুন এই মানুষের ভবিষৎকে কঠোর বাস্তবে ঠেলে দিয়ে পরে পৃথিবীর জীবন যাপনকে কিভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

আবিষ্কার করা এবং বানানো এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আর কোনটি তৈরি করা বা বানানো হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সমাধান কোথায়?

  আবিষ্কার করা এবং বানানো এই দুইয়ের মধ্যে মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আর কোনটি তৈরি করা বা বানানো হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সমাধান কোথায়?  আধুনিক যুগে আমরা বস্তুবাদী চিন্তাভাবনায় এতটা নিমগ্ন হতাম না যদি আমরা এটা বুঝতে পারতাম যে, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের (ব্যবহৃত অথবা) কোন কোন অন্য বিষয়গুলি আবিষ্কার করা হয়েছে বা invented ছিল, আর কোন বিষয়গুলি (…) মানুষেরা বানিয়ে নিয়েছে। প্রথমত বলা চলে যে মানুষ এখন যে রকম ভাবে ভোগবাদী চিন্তায় এত মগ্ন আছে এই ভোগের মধ্যে তার অধিকার কিভাবে গড়ে উঠলো বা কতটুকু আছে সেটা, বা অন্য যেকোন প্রয়োজনের চিন্তাতে তার অবদান কি আছে যদি সেই প্রসঙ্গে,তাহলে সেটা যাই হোক না কেন,বললে পরে এটা তখন বোঝা আবশ্যিক যে তার নিজস্ব কিছু অবদান সেখানে আদৌ আছে কিংবা নাই।  অর্থাৎ মানুষ যে কোন কিছুই সভ্য এই জীবনে ভোগ করছে সে তো নিজেই সেটা আবিষ্কার করেনি! তাই অন্ততপক্ষে তার ভিতরে একটা রানার্সআপ মেন্টালিটি– বয়ক্রমে যেটা তার চোখে ধরা পড়া উচিৎ– তো থাকবে! কারণ এটা হচ্ছে নতুন করে আবিষ্কার করার একটি মানসিকতা– এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সভ্য মানুষের মধ্যে এখন না...