সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাইকোলজি থাকসেন। এবং এইসব ইতিহাস সে ও তো এতবড় না ও হতে পারতো। অতঃপর আমাদের এই বাস্তবতা।

 সাইকোলজি থাকসেন। এবং এইসব ইতিহাস সে তো এতবড় না ও হতে পারতো। অতঃপর আমাদের এই বাস্তবতা।



চিরকালই মানবসমাজ কেবল পথই তৈরী করে না যাতায়াতকেও উন্নততর করে। এখন কোনটাকে দাম দিতে হবে আর কোনটাই বা ছেলেমানুষের মতই অবুঝদের বিষয়বস্তু হয়ে যায়। কিংবা হয়তো অসতর্কতায় তারপরই হয়ে গেল এক বা একাধিক কদর্য ইতিহাসের অংশবিশেষ। এসব কে ই বা জানে। আমাদের অচল সমাজকে সচল রাখতে কত কি ই না করি আমরা। সবার চেয়ে বড় যে কর্মযজ্ঞটি আছে তার নাম হল পরিকল্পনা প্রনয়ন এবং শুভযোগ থাকলে পরে তখন তার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গ। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে সকল মানব সমাজের জন্যই কি সচলতা দরকারী। অথবা মনুষ্যজীবনের নানাধরনের অচলায়তনগুলির অনুমান সাপেক্ষে উন্নয়ন পরিকল্পনার আদৌ প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা। অথবা একটি সুন্দর ভবিষৎতের প্রত্যাশাকে মানুষের দ্বারে পৌঁছাতে হলে তাকে কি উপায়ে একটি সুস্থ সমাজিক জীবনের আলোকে এবং কিভাবে অথবা কেমন করে প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। কিংবা কেমনতর সে অনুপস্থিতি যার দরুন এই মানুষের ভবিষৎকে কঠোর বাস্তবে ঠেলে দিয়ে পরে পৃথিবীর জীবন যাপনকে কিভাবে প্রভাবিত করতে পারে।



মন্তব্যসমূহ

Most Viewd

আবিষ্কার করা এবং বানানো এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আর কোনটি তৈরি করা বা বানানো হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সমাধান কোথায়?

  আবিষ্কার করা এবং বানানো এই দুইয়ের মধ্যে মধ্যে পার্থক্য কি? কোনটি আবিষ্কার করা হয়েছে আর কোনটি তৈরি করা বা বানানো হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে সমাধান কোথায়?  আধুনিক যুগে আমরা বস্তুবাদী চিন্তাভাবনায় এতটা নিমগ্ন হতাম না যদি আমরা এটা বুঝতে পারতাম যে, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের (ব্যবহৃত অথবা) কোন কোন অন্য বিষয়গুলি আবিষ্কার করা হয়েছে বা invented ছিল, আর কোন বিষয়গুলি (…) মানুষেরা বানিয়ে নিয়েছে। প্রথমত বলা চলে যে মানুষ এখন যে রকম ভাবে ভোগবাদী চিন্তায় এত মগ্ন আছে এই ভোগের মধ্যে তার অধিকার কিভাবে গড়ে উঠলো বা কতটুকু আছে সেটা, বা অন্য যেকোন প্রয়োজনের চিন্তাতে তার অবদান কি আছে যদি সেই প্রসঙ্গে,তাহলে সেটা যাই হোক না কেন,বললে পরে এটা তখন বোঝা আবশ্যিক যে তার নিজস্ব কিছু অবদান সেখানে আদৌ আছে কিংবা নাই।  অর্থাৎ মানুষ যে কোন কিছুই সভ্য এই জীবনে ভোগ করছে সে তো নিজেই সেটা আবিষ্কার করেনি! তাই অন্ততপক্ষে তার ভিতরে একটা রানার্সআপ মেন্টালিটি– বয়ক্রমে যেটা তার চোখে ধরা পড়া উচিৎ– তো থাকবে! কারণ এটা হচ্ছে নতুন করে আবিষ্কার করার একটি মানসিকতা– এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সভ্য মানুষের মধ্যে এখন না...

নরক বিশ্বাস করার পরেই দেখা যাবে যে অনেকের মনের মধ্যে ভালো না করার সামর্থ্য টিও গজিয়ে যায় এবং তারা এভাবেই নরকের দিকে ধাবিত হয়।

  নরক বিশ্বাস করার পরেই দেখা যাবে যে অনেকের মনের মধ্যে ভালো না করার সামর্থ্য টিও গজিয়ে যায় এবং তারা এভাবেই নরকের দিকে ধাবিত হয়। এমন অমানুষে আজকাল পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছেয়ে গেছে। এদের প্রধান পরিচয় হলো এরা নরকে বিশ্বাস করে।  এবং স্বর্গেও বিশ্বাস করে।  এরা এতই সাধু পুরুষ যে কোথাও কোন ধরনের বিষোদগার এরা করে না, করতে হয় না তাদের। কিন্তু চারিদিকে দেখা যাবে যে বিষোদগার দিয়ে সকল মাধ্যমকে ভরে রেখেছে এরাই। এরা তো অবশ্যই অবশ্যই নরকে যাবে। মূলত এদের বিশ্বাসের মধ্যে ভ্রান্তি রয়েছে! সেই ভ্রান্তিবিলাস নিয়ে তারা জীবন যাপন করেছে এখনো! কিন্তু আজ তাদের সেই ভ্রান্তি কে ভেঙে দিবে? তাদের শান্তির ঘুম কে ভাঙিয়ে দিল?  কিন্তু যারা নরকের কথা শুনেছে কিন্তু ভালো করে বুঝে নাই এতদিন কোন কিছুই। কোথাও এবং কোনদিন, এমন মানুষও হয়তো পৃথিবীতে থাকে। হয়তো তারা সাদা মনের মানুষ নয় কিন্তু তবু অন্তর-সাদা মানুষ। স্বাদ থাকলেও যাদের কোন সাধ্য নাই।ছিল হয়তো। কিন্তু সেটা ভিন্ন কাহিনী।  এদের ভিতরে অনেকেরই আবার ধর্মীয় মূল্যবোধের চূড়ান্ত অভাব। তাদের অনেকের ভিতরেই আবার মনুষত্ববোধ অতি প্রবল থাকে। মন...