কেন “ডেমোনস্ট্রেশন অফ ইগো ইজ ব্যাড” এন্ড ডেস্ট্রাকটিভ। জনগণ দৌড়ায়। তারা দৌড়ায় পিছে ফেলে আসার সময় কে ধরতে! তারা দৌড়ায় ভবিষ্যৎকে আরও দ্রুত কাছে পেতে! এভাবে তারা দৌড়ায়।আর সকলে মিলেই দৌড়ায়। আধুনিক বিশ্বে গণতন্ত্র আছে এমন যেকোনো রাষ্ট্রের মধ্যেই জনতা বা সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র প্রচুর ব্যস্ততায় ভরা। যেকোনো দেশেরই জনগণের জীবনের এই চালচ্চিত্র আলাদা আলাদা রকমের হলেও এটা পরিষ্কার বোঝা যায় যে আসলে সাজানো গোছানো জীবনের আড়ালে চাপিয়ে দেয়া অনেক বৈষম্য। এই চালচিত্র এখন কোথাও কোথাও আবার কোন অসম প্রকৃতিতে ভিন্ন রকমের স্থবিরতায় আর দেখা যাবে না বরং সর্বত্রই সবাই যেন একই রকমের ব্যাতিব্যস্ত হয়েছে। ভ্রান্ত, উদ্ভ্রান্ত, বিভ্রান্ত বা দিকভ্রান্ত সে যে কারণেই হোক না কেন।মানুষ দৌড়াবেই! কিংবা কোন কিছু না হলেও --তখনও তো মানুষ দৌড়াবে!!! নিজের ক্ষুদ্র শরীরটা নিয়ে অপসৃয়মান হয় যায়,অথবা চটপটে ভাবে কায়া থেকে ছায়া হয়ে পড়ে,কিন্তু তবু সে দৌড়াবেই। এ যেন কোন সুযোগের সদ্ব্যবহার। সময়কে অনুমান করতে পারা।এবং বৈষম্য থেকে উঠে দাড়ানো। তার চনমনে শরীর নিয়ে থাকে আড়ে আড়ে, সে ও তো দৌড়াবে। কিংবা কে...
This is bla bla bla bla... Beyond these realms lie the enduring disparities in comprehension, now articulated in simpler terms readily graspable by thoughts, benign in nature. While stylish, this clarity remains overt. Moreover, it evolves into a necessity for authentic narratives among people, leading to my inquiries about the true nature of past challenges, and the underlying reasons for our struggles in resolving them.